“আজ আমাদের প্রথম সাক্ষাতের দিন, মনে আছে?” ইশান বলল।
ইশান তার দাদুর মৃত্যুর পর বাড়ি গোছাতে গিয়ে এই চিঠিগুলো পেয়েছিল। চিঠিগুলো লেখা হয়েছিল এক তরুণীর নামে—শ্রাবণী। সেই চিঠিতে ছিল অমর এক ভালোবাসার গল্প। দাদু কখনো জানাননি, জীবনে কাউকে ভালোবেসেছিলেন। ইশান সিদ্ধান্ত নিল, এই শ্রাবণীকে খুঁজে বের করবে। কিন্তু পত্রিকার মাধ্যমে এক কলামে চিঠিগুলো ছাপানোর সিদ্ধান্ত নেয় সে। আর সেই কলামের দায়িত্ব ছিল রাইয়ের। Sex Story In Bangla
পরবর্তী কয়েক সপ্তাহ ধরে রাই আর ইশান একসঙ্গে কাজ করতে থাকে। পুরোনো ঠিকানা খুঁজতে খুঁজতে তারা শহরের অলিগলি ঘুরে বেড়ায়, বৃষ্টি ভেজা সন্ধ্যায় চায়ের কাপ হাতে সময় কাটায়। Sex Story In Bangla
“প্রিয় শ্রাবণী, আজ তোমার চোখের দিকে তাকিয়ে বুঝলাম, পৃথিবীর সব সৌন্দর্য কেবল দুটি চোখে লুকিয়ে থাকতে পারে। তুমি জিজ্ঞেস করেছিলে ভালোবাসার অস্তিত্ব কোথায়? আমার মতে, এটি নেই কোথাও। বরং এটি সৃষ্টি হয় যখন দুটি আত্মা একে অপরকে চিনতে পারে। তুমি আমায় চিনেছ বলে আমি এখনও বেঁচে আছি।” Sex Story In Bangla
ইশান বলল, “হ্যাঁ, যদি তুমি তাতে প্রাণ দিতে জানো। আর আমি জানি, রাই। আমি জানি।”
গল্পের বাইরে: এই উপন্যাসের মর্মকথা—আমরা সবাই কোনো-না-কোনো চিঠির খোঁজে থাকি। কেউ লেখে, কেউ পড়ে। কিন্তু প্রকৃত ভালোবাসা জন্ম নেয় যখন কেউ তোমার ‘অস্তিত্ব’ কে ‘অনুভূতি’ তে রূপান্তরিত করে। আর সেই কারণেই বর্ষা এত রোম্যান্টিক—কারণ বৃষ্টি কেবল ভেজায় না, সেটি মানুষের মনের আড়ালের গল্পগুলোও বের করে আনে।
রাই হাতের আংটাটা দেখল—একটা সাধারণ রুপোর আংটি, যাতে খোদাই করা: “শেষ বর্ষণের পরশে দেখা, ভালোবাসার শুরু।”